বাংলাদেশ · প্রতিষ্ঠা ২০০৪
বিকল্পধারা বাংলাদেশ
পুরনো রাজনীতির পথ ছেড়ে — সংস্কার, সুশাসন ও নতুন বাংলাদেশের দিকে।
০১ — পরিচিতি
কেন বিকল্পধারা?
বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২০০৪ সালের মার্চে প্রতিষ্ঠিত একটি মধ্যপন্থী, সংস্কারবাদী রাজনৈতিক দল। প্রতিষ্ঠাতা — বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম. বদরুদ্দোজা চৌধুরী — চেয়েছিলেন এমন রাজনীতি যেখানে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্ষমতার বদলে জনগণের কল্যাণ ও জবাবদিহিমূলক শাসন প্রাধান্য পাবে।
দলের লক্ষ্য — গণতন্ত্র সুসংহত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তোলা এবং তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে সক্রিয় করা। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দল পুরনো সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে নতুন করে পুনর্গঠিত হয়েছে — অঙ্গ সংগঠনহীন, কর্মসূচিভিত্তিক একটি একক ইউনিট দল হিসেবে।
আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষ আরও ভালো রাজনীতির অধিকারী। সেই বিকল্প পথ তৈরি করাই আমাদের অঙ্গীকার।
০২ — ঘোষণা
আমরা চাই এমন রাজনীতি, যেখানে জনগণের কণ্ঠ ক্ষমতার চেয়ে বড়।
০৩ — সংস্কারের দৃষ্টি
প্রতিষ্ঠাতার দেখানো
পরিবর্তনের পথ
২০০৪ সাল থেকে বিকল্পধারার রাজনৈতিক দর্শনে যে সংস্কারের কথা বলা হয়েছে — তার মূল দিকগুলো
ক্ষমতার ভারসাম্য
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার সুষ্ঠু ভারসাম্য — এককেন্দ্রিক শাসনের অবসান।
মেয়াদ সীমা
প্রধানমন্ত্রী পদে একই ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি না থাকা — গণতান্ত্রিক আবর্তন নিশ্চিত করা।
সংসদে ভারসাম্য
ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ বিরোধী দলকে দেওয়া।
যৌথ নেতৃত্ব
ব্যক্তিতান্ত্রিক নেতৃত্বের ঊর্ধ্বে সমন্বিত ও যৌথ নেতৃত্ব — সিঙ্গেল ইউনিট পার্টি কাঠামো।
প্রজন্ম হস্তান্তর
প্রতি প্রজন্মে গঠনতন্ত্র সংশোধনের মাধ্যমে তরুণ নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর।
কর্মসূচিভিত্তিক রাজনীতি
শুধু স্লোগান নয় — বাস্তব কর্মসূচি, জবাবদিহিতা ও জনগণের সমস্যার সমাধান।
০৪ — স্তম্ভ
যে ছয়টি ভিত্তিতে
দাঁড়াবে নতুন বাংলাদেশ
গণতন্ত্র
সকলের অংশগ্রহণে প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা — যেখানে জনগণের কণ্ঠস্বর সর্বোচ্চ।
সুশাসন
দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ প্রশাসন — যেখানে দুর্নীতির স্থান নেই।
আইনের শাসন
সবার জন্য সমান আইন — ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিচারহীনতার অবসান।
দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতি
সরকারি সম্পদের অপব্যবহার বন্ধ — জনগণের টাকা জনগণের কল্যাণে।
সামাজিক ন্যায়
সকলের জন্য সমান সুযোগ — মানবাধিকার, নারী ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা।
টেকসই উন্নয়ন
পরিবেশবান্ধব ও অধিকার-ভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতি — ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।
০৫ — নেতৃত্ব
যারা এই পথ
দেখান
দ্বিতীয় জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব
দলের প্রতিষ্ঠাকালীন নেতাদের একজন। দ্বিতীয় জাতীয় কাউন্সিলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি ও আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত।
দলের দৈনন্দিন সাংগঠনিক কার্যক্রম ও প্রেসিডিয়াম সমন্বয়ের দায়িত্বে। সংস্কার ও নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
২০০৪ সালে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে উপ-নির্বাচনে বিজয়ী। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আলোকে দলের পুনর্গঠন ও সিঙ্গেল ইউনিট কাঠামোর প্রস্তাবনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
প্রেসিডিয়াম
মাহী বি. চৌধুরী · ওবায়দুর রহমান মৃধা · মো. ওয়াসিমুল ইসলাম · মো. মহসিন চৌধুরী · মো. আসাদুজ্জামান বাচ্চু · মো. আইনুল হক · আব্দুর রউফ মান্নান · তানজিলা মান্নান · শিপ্রা রহিম · জুবরান গাজী · সাদিয়া বেগম · শেখ সুচিতা জাহান স্নেহা · সোনিয়া পান্নি
০৬ — ইতিহাস
যাত্রার রেখা
প্রতিষ্ঠা
ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মাহী বি. চৌধুরী ও আবদুল মান্নানের উদ্যোগে বিকল্পধারা বাংলাদেশ গঠিত।
প্রথম সংসদীয় জয়
মাহী বি. চৌধুরী মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে উপ-নির্বাচনে জয়ী — দলের প্রথম সংসদীয় আসন।
জাতীয় নির্বাচন
স্বাধীনভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ। পরবর্তীতে দলীয় নেতৃত্ব পুনর্গঠনের অভিজ্ঞতা অর্জন।
একাদশ সংসদ
প্রায় ৫.৬৬ লাখ ভোট পেয়ে দুইটি সংসদীয় আসনে জয় — দলের সর্বোচ্চ নির্বাচনী সাফল্য।
পুনর্গঠন
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আলোকে সকল কমিটি বিলুপ্ত করে সিঙ্গেল ইউনিট পার্টি হিসেবে পুনর্জন্ম।
প্রতিষ্ঠাতার প্রয়াণ
অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মৃত্যু — জাতির একজন দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতার অবসান।
নতুন অধ্যায়
নতুন নেতৃত্বে সংস্কারের আদর্শ নিয়ে এগিয়ে চলা — নতুন বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখার অঙ্গীকার।
০৭ — খবর ও অবস্থান
সাম্প্রতিক ঘোষণা
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে
প্রেসিডিয়াম সভায় গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণার সিদ্ধান্ত। প্রতিষ্ঠাতার সংস্কার দর্শন — ক্ষমতার ভারসাম্য ও মেয়াদ সীমা — এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই অবস্থান।
দ্বিতীয় জাতীয় কাউন্সিল
বারিধারায় অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে মেজর (অব.) আবদুল মান্নান প্রেসিডেন্ট এবং ওবায়দুর রহমান মৃধা মহাসচিব নির্বাচিত। নতুন প্রেসিডিয়াম গঠিত।
সিঙ্গেল ইউনিট পার্টি
জাতীয় নির্বাহীসহ সব কমিটি বিলুপ্ত। অঙ্গ সংগঠন ছাড়া একক ইউনিট দল হিসেবে শূন্য থেকে পুনর্গঠনের ঘোষণা।
«জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের ভেতর যে গণ-আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে, সেই আলোকে বিকল্পধারাকে নতুন করে শূন্য থেকে কাজ করতে হবে।»
— মাহী বি. চৌধুরী
০৮ — প্রশ্নোত্তর
যা জানতে
চান
বিকল্পধারা কী ধরনের দল?
মধ্যপন্থী, সংস্কারবাদী রাজনৈতিক দল। গণতন্ত্র, সুশাসন, আইনের শাসন ও দুর্নীতিমুক্ত রাজনীতির পক্ষে কাজ করে।
কে যোগ দিতে পারেন?
বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিক, যিনি পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির বদলে সংস্কার ও জবাবদিহিতার পক্ষে দাঁড়াতে চান — বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে আমরা স্বাগত জানাই।
সিঙ্গেল ইউনিট পার্টি মানে কী?
দলের কোনো অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠন থাকবে না। একক কাঠামোয় যৌথ নেতৃত্ব ও কর্মসূচিভিত্তিক সংগঠন — ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতির বদলে।
কীভাবে যোগাযোগ করব?
এই ওয়েবসাইটের আবেদন ফর্ম পূরণ করুন, অথবা ইমেইল করুন [email protected]। সদর দপ্তর: বারিধারা, ঢাকা।
যোগ দিন
বিকল্পের
অংশ হোন
নতুন বাংলাদেশ গড়তে চান? সংস্কার ও সুশাসনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন? আপনার একটা পদক্ষেপই পরিবর্তনের শুরু।
- স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতি
- তরুণদের ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব
- দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
- ক্ষমতার ভারসাম্য ও সংস্কার
বাড়ি নং-১৯, রোড নং-১২
ব্লক-কে, বারিধারা
ঢাকা-১২১২
দলীয় দপ্তর
ঢাকা, বাংলাদেশ